নাশপাতি এর ভেষজ উপকারিতা

Written by

in

নাসপাটি ফলটি আমাদের কাছে খুবই পরিচিত। সমসিতোষ্ণ অঞ্চলে নাশপাতি এর উৎপাদন ব্যাপক পরিমাণে হয়ে থাকে। ইতালিতে প্রচুর পরিমাণে এর চাষ প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে। নাশপাতি উৎপাদনে চীন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই ফলে থাকা পুষ্টি উপাদান এবং উপকারী জৈব যৌগ আমাদেরকে সুস্থ সবল রাখতে সাহায্য করে। রক্তাল্পতা রোগে, দুর্বলতা, জ্বর, অতিসার, সর্দি, কাশিতে নাশপাতি খুব উপকার করে থাকে। এই ফল ঠান্ডা নাশক, কোষ্ঠকাঠিন্য দূরকারক, হৃদপিণ্ড, যকৃত ও মস্তিষ্কের রোগে বিশেষভাবে উপকার করে থাকে। 

আমাদের ভারতবর্ষে কাশ্মীরে যে সমস্ত নাশপাতি উৎপাদন হয়ে থাকে তা উৎকৃষ্ট মানের। নাশপাতির খোসা ছাড়িয়ে রাখলে কিছুদিন পর্যন্ত নাশপাতি ভালো থাকে তবে খোশাসুদ্ধ রাখলে তাড়াতাড়ি পচে যেতে পারে। 

রোগ প্রতিরোধে নাশপাতি

বীর্যের শক্তিহীনতা 

যারা বীর্যের শক্তিহীনতা রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন তারা নেসপাতির সিজনে প্রতিদিন একটি করে ন্যাশপাতি খেলে বীর্যের শক্তিহীনতা রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করতে পারবেন। 

  অবশ্য যে সকল পুরুষ অতিরিক্ত বীর্য ক্ষয় করেন তাদের এ ব্যাপারে সংযমী হতে হবে। কারণ বীর্যের শক্তিহীনতা থেকে আরো নানা রোগ দেখা দিতে পারে। 

অরুচি 

অরুচি দেখা দিলে নাশপাতি রুচি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে থাকে।। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম নাশপাতি এর টুকরো বিথী লবণের সঙ্গে মিশিয়ে সকাল ও বিকেল সেবন করলে অরুচি কেটে যাবে। 

পেটে গ্যাস 

পেটে গ্যাস হলে তা দূর করতে নাশপাতি যথেষ্ট উপকার করে থাকে। নাশপাতি খোসা ছাড়িয়ে তিন-চার টুকরো করে ভেতরের বীজ ফেলে দিতে হবে। এরপর নাশপাতি এর টুকরো গুলির সঙ্গে অল্প হিং আর জিরেগুঁড়ো মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সেবন করলে পেটের গ্যাস দূর হয়। 

   তাছাড়া হিং ও জিরে গুঁড়ো এর পরিবর্তে গোলমরিচ ও শৈন্ধব লবণ মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে। এতে এর কার্যকারিতা কিছুটা বাড়তে পারে।। 

টাইফয়েড 

টাইফয়েড রোগীদের জন্য নাশপাতি একটি আদর্শ ফল। টাইফয়েড রোগীকে নাস্তাতির টুকরো খেতে দিলে উপকার পাওয়া যায়।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *